জাতীয় নির্বাচনের আগে সংসদ ভাঙবে না:আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের কারণে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়া হবে না। এই সংসদ নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত চলবে। আর নির্বাচনকালীন সরকার কবে ঘোষণা করা হবে সেটি সরকার প্রধান হিসেবে আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানাবেন।আইনমন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, অক্টোবরে বর্তমান সরকারের শেষ অধিবেশন হচ্ছে। এরপর কবে নাগাদ সংসদ ভাঙছে? এর জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘প্রথম কথা হলো সংসদ ভাঙবে না। সংসদের কার্যকাল পর্যন্ত এই সংসদ চলবে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আগামী ৯ সেপ্টেম্বর যে সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন সেটা হবে এই সংসদের শেষ অধিবেশন। আর নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে আমাদের নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেবেন। আমি না।’‘এটা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব। তাই নির্বাচনকালীন সরকারের আকার উনিই (প্রধানমন্ত্রী) জানেন। কেননা, সংবিধান অনুযায়ী এটা উনার দায়িত্ব’,- নির্বাচনকালীন সরকারের আকার কেমন হবে- জানতে চাইলে মন্ত্রী এই কথা বলেন।আরপিও সংশোধনীর বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আরপিও সংশোধনীর বিষয়ে ভেটিং ও আইনি পরামর্শের জন্য ফাইলটি আমার মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগে পৌঁছেছে। আমার কাছে এখনো আসেনি। লেজিসলেটিভ বিভাগ সেটা দেখবে, তারপর তা আমার কাছে পাঠাবে। এর আগেও তিনি বিচারকদের এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এই কথা বলেছিলেন।আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বর্তমান সংসদ ভাঙবে না।

সংসদের কার্যকাল পর্যন্ত এই সংসদ চলবে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আগামী ৯ সেপ্টেম্বর যে সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন সেটা হবে এই সংসদের শেষ অধিবেশন।কবে নাগাদ সংসদ ভাঙছে তা জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন। সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে সাংবাদিকরা তার কাছে এই প্রশ্ন করেন। নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা কবে নাগাদ গঠন করা হবে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেবেন। আমি না।’ সোমবার বিকেলে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী। নকলনবিশদের (দলিল লেখক) অনুলিপি কাজবাবদ অর্থ আদায় ও পরিশোধ বিধিমালা, ২০১৮ এর আলোকে নকলনবিশদের পারিশ্রমিক প্রদান উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নিবন্ধন কার্যালয়ের মহাপরিদর্শক খান মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন আইন বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক।অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, আমার মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ পাই ৫ বছর, এক যুগেরও অধিক সময় যাওয়ার পরও অনেকে জমির রেজিস্ট্রেশন পান না। এর কারণ জানতে চাইলে আমাকে বলা হলো, বালাম নেই, ইনডেক্স নেই, স্লিপ নেই, এজন্যই দেরি হয়। মন্ত্রী হয়ে তখন আমাকে এ নিয়ে খোঁজ নিতে হলো। মন্ত্রী হবার এক দুই মাসের মধ্যে আমরা টেন্ডার দিয়ে সমস্যার সমাধান করি। এসব কাজ করতে গিয়ে একটি বিষয় উপলব্ধি করলাম যে, নকলনবিশরা কাজ করবেন আজকে আর পারিশ্রমিক পাবেন দীর্ঘসময় পরে- তা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে হতে পারে না। শেখ হাসিনা এটা মেনে নেবেন না। তাই এসব নকলনবিশদের সুবিধা দিতে আমরা কাজ করে যাই।

আইনমন্ত্রী বলেন, অনেকে ঘরে বসে বক্তৃতা দেন দেশে গণতন্ত্র নেই, দেশ এমনিতেই উন্নত হয়ে যেত। কিন্তু আমার কথা হলো, নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে জনপ্রতিনিধিরা আছেন, প্রত্যেক এলাকায় জনগণের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মেম্বাররা আছেন। তাই সর্বস্তরেই গণতন্ত্র আছে। আর গণতন্ত্র আছে বলেই শেখ হাসিনার সরকার দেশের উন্নয়ন করে। যারা ড্রইংরুমে বসে গণতন্ত্র নেই বলে আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিমানে চড়ে বসেন, জনগণ তাদের কথা শুনবে না।নিবন্ধন কার্যালয়ের মহাপরিদর্শক খান মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আইন বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক।এর আগে সোমবার বিকালে (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী। নকলনবিশদের অনুলিপি কাজ বাবদ অর্থ আদায় ও পরিশোধ বিধিমালা, ২০১৮-এর আলোকে নকলনবিশদের পারিশ্রমিক প্রদান উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।আরপিও প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আরপিও সংশোধনীর বিষয়ে ভেটিং ও আইনী পরামর্শের জন্য ফাইলটি আমার মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগে পৌঁছেছে। আমার কাছে এখনো আসেনি। লেজিসলেটিভ বিভাগ সেটা দেখবে তারপর তা আমার কাছে পাঠাবে।এর আগে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী।নিবন্ধন কার্যালয়ের মহাপরিদর্শক খান মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আইন বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*