থানায় ঢুকে নারী হেড কনস্টেবলকে ধর্ষণ!

থানায় ঢুকে নারী হেড কনস্টেবলকে ধর্ষণ করল দুই দুর্বৃত্ত। সেই সঙ্গে এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করলে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।পরে নির্যাতিতা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। নির্যাতিতার মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। ভারতের পাওয়ালে এ ঘটনা ঘটে।সেই পুলিশ স্টেশন ইনচার্জ কমলা দেবী জানিয়েছেন, নির্যাতিতা জানিয়েছেন- অলভলপুরের বাসিন্দা যোগেন্দ্র মিন্টো গত চার বছর ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেছে। কাউকে জানালে বার বার প্রাণে মারার হুমকি দেয়। এমনকী তাঁর পরিবারের লোকেদেরও হেনস্থা করা শুরু করেন। ২০১৪ সালে মহেন্দ্রগড়ে নির্যাতিতা কনস্টেবল যখন কর্তব্যরত ছিলেন তখন যোগেন্দ্রর সঙ্গে পরিচয় হয়।পালওয়ালে নির্যাতিতা যখন বদলি হয়ে চলে আসেন, যোগেন্দ্ররের দাদা তোশরাজ তাঁকে ছুরি দেখিয়ে নারী থানায় ধর্ষণ করে। তারপরেই অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা।

আরো পড়ুন….

জন্মের পাঁচ বছর পর অস্ত্রোপচারে মাধ্যমে মেয়ে হয়ে উঠল ছেলে। ভারতের মহারাষ্ট্রের ভিদ জেলার ঘটনা এটি।ওই শিশুর পরিবার জানায়, জন্মের সময় তার কোনও পুরুষাঙ্গ ছিল না। আচার-আচরণে ছিল মেয়েদেরই বৈশিষ্ট্য। বছর তিনেকের মাথায় হঠাৎ তার পুরুষাঙ্গ দেখা দেয় ঠিকই, কিন্তু তার গঠন অসম্পূর্ণ ছিল।পরে সেই শিশুর পুরুষাঙ্গের একাংশের গঠন ঠিক করা হলো। পরের সপ্তাহে ঠিক করা হবে শিশুটির পুরুষাঙ্গের বাকি অংশটাও। তার পাশাপাশি শিশুটির নামও রাখা হলো আমন খান।শুক্রবার সকালে মুম্বাইয়ের সরকারি সেন্ট জর্জেস হাসপাতালে ওই অস্ত্রোপচার হয়।আমনের বাবা ট্রাক ড্রাইভার মহম্মদ খান বলেন, জন্মের সময় আমরা ভেবেছিলাম, ও মেয়ে। তিন বছর পর্যন্ত ওকে মেয়েদের মতোই গড়ে তুলি। কিন্তু তারপর দেখি ওর পুরুষাঙ্গ হয়েছে। তবে তার গঠন অসম্পূর্ণ।আমন খুব গরীব পরিবারের সন্তান বলে তার চিকিৎসার যাবতীয় খরচ হাসপাতালই বহন করছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*