নিজের ছেলেকে দিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করাল মা!

নিজের ১৪ বছরের ছেলে ও তার বন্ধুদের দিয়ে নয় বছরের সৎ মেয়েকে ধর্ষণ করাল মা। পরে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে সৎ মা ও ভাই। শুধু তাই নয় মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে তার চোখ তুলে নিয়ে শরীরে ঢেলে দেওয়া হয় অ্যাসিড।রোববার ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের বারামুলা এলাকায় এমন লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ মা, সৎ ভাই-সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে পুলিশ জানায়।পুলিশের দাবি, পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে এমন নৃশংস ও ভয়াবহ কাণ্ড ঘটিয়েছে ওই নারী। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত সপ্তাহে বারামুলার বনিয়ার এলাকার এক ব্যক্তি মেয়ে নিখোঁজের বিষয়ে একটি ‘ডায়েরি’ করেন। রোববার ওই ব্যক্তির বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে জঙ্গলে এক কিশোরীর বিকৃত দেহ উদ্ধার হয়। পরনের জামা-কাপড় দেখে তাকে শনাক্ত করেন তার বাবা। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই কিশোরীর সৎ মা, সৎ ভাই এবং আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে নারকীয় এই হত্যার ঘটনা।

ধৃতদের জেরায় পুলিশ জানতে পারে, ছেলের সাহায্য নিয়ে সৎ মা কিশোরী মেয়েকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে তুলে নিয়ে যায়। ছেলের বন্ধুদেরও ডাকা হয়। এরপর মেয়েকে ধর্ষণের নির্দেশ দেয় ওই সৎ মা।পুলিশের দাবি, সৎ মায়ের নির্দেশ মতো কিশোরীর সৎ ভাই ও তার বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ করে। তারপর ওই নারীই মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করে। কুড়ুল দিয়ে মুখে কুপিয়ে বিকৃত করে কিশোরীর সৎ ভাই। পরে তার দুটি চোখ তুলে নিয়ে অ্যাসিড মুখ-সহ প্রায় সারা শরীর বিকৃত করে দেওয়া হয়। জঙ্গলে কিশোরীর দেহ পুঁতে উপরে গাছের ডালপালা চাপা দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসে।তদন্তে উঠে আসে, কিশোরীর বাবার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী এলাকারই বাসিন্দা। অন্যজন ভারতের ঝাড়খণ্ডের। তবে দুজন একই বাড়িতে থাকতেন। ঝাড়খণ্ডে বিয়ের পর থেকেই প্রথম স্ত্রীর দিকে তেমন নজর ছিল না। দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে হওয়া এবং তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে কার্যত প্রথম স্ত্রীকে উপেক্ষা শুরু করেন স্বামী।পুলিশের দাবি, বহু বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভের জেরেই সৎ মেয়েকে এমন নৃশংস খুন ও ধর্ষণ করিয়েছেন প্রথম স্ত্রী।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*